MikroTik বিলিং সফটওয়্যার
গ্রাহক যোগ করলেই PPPoE secret, profile আর queue RouterOS API দিয়ে আপনার MikroTik-এ লেখা হয়ে যায়। প্যাকেজ বদলালে রাউটারও সাথে সাথে বদলায়। বিল বকেয়া পড়লে লাইন suspend বা park হয়; বিল দিলে লাইন ফিরে আসে — কাউকে Winbox খুলতে হয় না।
রাউটারে
গ্রাহক যোগ করা, বিল করা আর লাইন কাটা — সবই হয় প্যানেলে। রাউটারকে API দিয়ে জানানো হয়, আর পরে যাচাই করা হয় সে কথা শুনেছে কি না।
নতুন গ্রাহকের secret, profile আর queue RouterOS API দিয়ে লেখা হয়। প্যাকেজ বদলালে গ্রাহককে নতুন profile-এ সরানো হয়, আর সেশন নতুন করে ডায়াল করে সেই profile-এ ওঠে।
রাউটার যুক্ত করার সময় তাতে আগে থেকে থাকা secret আর profile পড়ে নেওয়া হয়। যা মেলে না, তা চুপচাপ মিশিয়ে না দিয়ে আলাদা তালিকায় দেখানো হয়।
প্রতি দশ মিনিটে রাউটারকে প্যানেলের সাথে মেলানো হয়। কারও হাতে যোগ করা একটা secret, বা প্যাকেজের সাথে আর না মেলা একটা profile — drift হিসেবে দেখা যায়, মাস শেষের চমক হিসেবে নয়।
ক্যাপটিভ পোর্টাল, সময়ভিত্তিক পাস, ভাউচার আর স্ক্র্যাচ কার্ড — ক্যাফে, হোস্টেল বা মার্কেটের জন্য, বাসার লাইনের সাথে একই সিস্টেমে বিল।
RADIUS দিয়ে authentication আর accounting, প্রতিটি সেশন সংরক্ষিত: কে অনলাইন ছিলেন, কখন থেকে, আর কতক্ষণ।
চালু করলে বকেয়া গ্রাহককে একটা ধীর profile-এ সরানো হয়, আর তিনি যে ওয়েব পেজই খোলেন, সেখানে বিল দেওয়ার উপায় দেখায়। বিল দিলে সেশন আবার পুরো প্যাকেজে ফিরে যায়।
রাউটার যুক্ত করা
API-SSL-এ প্যানেল শুধু আপনার পিন করা সার্টিফিকেট মিললেই লগইন করে। যে রাউটারের সার্টিফিকেট বদলে গেছে, আবার পিন না করা পর্যন্ত তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় — সাড়া দিয়েছে বলেই বিশ্বাস করা হয় না।
NAT বা CGNAT-এর পেছনের রাউটার WireGuard টানেল দিয়ে নিজেই প্যানেলে সংযোগ করে। প্যানেল যাতে পৌঁছাতে পারে, সেজন্য আপনার নেটওয়ার্কের কিছুই ইন্টারনেটের দিকে খুলে দিতে হয় না।
আগের profile-গুলো হয়ে যায় প্যাকেজ, যার দাম আপনি বসাবেন; আগের secret-গুলো হয়ে যায় গ্রাহক, যাদের বিল করবেন। কাউকে খালি তালিকা থেকে শুরু করতে হয় না।
প্রতি মিনিটে health, সেশন আর ping; রাউটার সাড়া দেওয়া বন্ধ করলে অ্যালার্ট; আর প্রতি রাতে SSH দিয়ে তার কনফিগারেশন export — শুধু রাউটারের পিন করা host key মিললেই লগইন করে।
চালু নেটওয়ার্কে
যে বিলিং সিস্টেম রাউটারে লেখে, সে বিল দেওয়া গ্রাহকের লাইনও কেটে দিতে পারে। তা যেন না হয়, সেজন্য এই নিয়মগুলো মেনে চলে।
প্রশ্নোত্তর
না। পাবলিক অ্যাড্রেস, LAN বা port-forward-এ থাকা রাউটারে সরাসরি পৌঁছানো যায়; NAT বা CGNAT-এর পেছনের রাউটার বরং WireGuard টানেল দিয়ে নিজেই প্যানেলে সংযোগ করে।
না। রাউটার যুক্ত করলে তার secret আর profile পড়ে নেওয়া হয়। প্যানেলের সাথে যা মেলে না, তা আপনার সিদ্ধান্তের জন্য আলাদা তালিকায় থাকে, আর এরপরের নিয়মিত যাচাইগুলো শুধু পড়ে।
পেমেন্ট সাথে সাথেই রেকর্ড হয় আর ইনভয়েস পরিশোধ হয় — বিলিং রাউটারের উপর নির্ভর করে না। লাইন আবার চালু করার কাজটা জমা থাকে, আর রাউটার সাড়া না দেওয়া পর্যন্ত বারবার চেষ্টা করা হয়।
বকেয়া গ্রাহকের লাইন কেটে দেওয়ার একটা বিকল্প। তাঁকে কম স্পিডের একটা profile-এ সরানো হয়, আর তাঁর ওয়েব ট্রাফিক এমন একটা পেজে পাঠানো হয়, যেখানে লেখা থাকে যে অ্যাকাউন্টের বিল বাকি — সেখান থেকে তাঁকে পেমেন্ট লিংক SMS-ও করা যায়। বিল দিলে তাঁর সেশন kick করা হয়, যাতে আবার ডায়াল করে পুরো প্যাকেজে ওঠে। আপনি চালু না করলে এটা বন্ধ থাকে।
SKYNITY-র বাকি অংশ
বিলিং, রাউটার আর ফাইবার — সব চলে একই রেকর্ডে, তাই একটা পেমেন্ট, একটা প্যাকেজ বদল বা খারাপ হতে থাকা একটা ONU যেখানেই দেখা যাক, তথ্যটা একই থাকে।
কতজন গ্রাহক, কোন রাউটার আর কী কী প্যাকেজ — জানালে ডেমোটা সাজানো হবে ঠিক যেভাবে আপনি আসলে ব্যবসা চালান।
ডেমো দেখতে চাইঅথবা ইমেইল করুন support@skynity.net